লিগ শেষে আর্সেনাল-ম্যানসিটির পয়েন্ট সমান থাকলে কে হবে চ্যাম্পিয়ন?

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ মৌসুম শেষ হওয়ার পথে। জমে উঠেছে শিরোপার লড়াই। গতকাল (রোববার) ম্যানচেস্টার সিটি আর্সেনালকে হারিয়ে ট্রফির দৌড়ে যোগ দিয়েছে সমানতালে। আর্সেনালের হাতে আছে পাঁচ ম্যাচ, সিটির ছয়টি। এখন দুই দলের ব্যবধান ৩ পয়েন্টের।
বুধবার বার্নলির বিপক্ষে ম্যানসিটি জিতলে সেই ব্যবধান শূন্যে নামবে। তখন দুই দলেরই পয়েন্ট ৭০ হবে। কিন্তু আর্সেনাল শীর্ষস্থান হারাবে গোলপার্থক্যে পিছিয়ে থাকার কারণে। দুই দলের গোল ব্যবধান মাত্র একটির।
আর্সেনাল যদি বাকি পাঁচ ম্যাচের সবগুলোই জেতে তাহলে পয়েন্ট হবে ৮৫। ম্যানসিটিও বাকি ম্যাচগুলো জিতলে সমান পয়েন্ট হবে। সেক্ষেত্রে প্রিমিয়ার লিগের আইন অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণে গোলপার্থক্য হিসাব করা হবে। যে দলের সর্বোচ্চ গোল পার্থক্য থাকবে তারাই হবে বিজয়ী।
যদি দুই দলই সমান পয়েন্ট পায় এবং গোলপার্থক্যেও তফাত না থাকে, তাহলে হেড টু হেড রেকর্ড দেখা হবে। মানে পয়েন্ট ও গোলপার্থক্যে কোনো ব্যবধান না থাকলে আর্সেনাল ও ম্যানসিটির মুখোমুখি লড়াই বিবেচনায় আনা হবে এবং সবশেষ জয়ের কারণে চ্যাম্পিয়ন হবে সিটি। প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম বলছে, ‘প্রথমে গোলের সংখ্যা, তারপর মুখোমুখি ম্যাচ থেকে সর্বোচ পয়েন্ট, সবশেষ প্রতিপক্ষের মাঠে মুখোমুখি ম্যাচে সর্বোচ্চ গোল’—এসব বিবেচনা করে চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হবে কে সবার উপরে থেকে খেলা শেষ করছে।
এই ধরনের পরিস্থিতিতে বিভিন্ন লিগ আলাদা আলাদা টাইব্রেকারে চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করা হয়। প্রিমিয়ার লিগের মতো লিগা এমএক্স, লিগ ওয়ান ও বুন্দেসলিগায় টাইব্রেকার হিসেবে বিবেচনা করা হয় গোলপার্থক্যকে। স্পেনের লা লিগা ও সিরি আ-তে প্রথমে আসে মুখোমুখি লড়াইয়ের রেকর্ড।
শেষবার টাইব্রেকারে প্রিমিয়ার লিগে বিজয়ী চূড়ান্ত হয়েছিল ২০১১-১২ মৌসুমে। ওইবার গোলপার্থক্যে বেছে নেওয়া হয়েছিল চ্যাম্পিয়নকে। কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের বিপক্ষে কুন আগুয়েরো স্টপেজ টাইমে গোল করে ম্যানইউর সঙ্গে পয়েন্টে সমতা আনেন। সিটি গোলপার্থক্যে এগিয়ে ছিল, ৮ গোলের ব্যবধানে ম্যানইউকে পেছনে ফেলে তারা ট্রফি হাতে নেয়।














