মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থী বাড়াতে পদক্ষেপ নিতে হবে

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান বলেছেন, মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সব কার্যকর পদক্ষেপ একসঙ্গে নিতে হবে। অনেক শিক্ষার্থী (ফাজিল-কামিল পর্যায়ে) ক্লাসে অংশগ্রহণ না করলেও পরীক্ষায় অংশ নেয়, যা নিয়ে অধ্যক্ষদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।
শনিবার (২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে ফাজিল (অনার্স) স্তরের ১০৮টি মাদ্রাসার অধ্যক্ষদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং মূল সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, অধিভুক্ত মাদ্রাসাগুলোর ফাজিল (অনার্স) শিক্ষা কার্যক্রমকে অধিকতর কর্মমুখী ও গবেষণাবান্ধব করার মাধ্যমে দক্ষ জনসম্পদ হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। এভাবে প্রকৃত আলেম তৈরি করা সম্ভব নয়। মানসম্মত আলেম তৈরিতে অধ্যক্ষদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা অনেকেই আছেন যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য সৌদি আরব ও মিশরসহ বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে আগ্রহী তারা যেনো এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয় সেভাবেই তাদের গড়ে তুলতে হবে।
মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হলের ব্যবস্থা এবং বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভর্তি ও শিক্ষার মান দুটোই বৃদ্ধি করা সম্ভব।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। তিনি বলেন, মাদ্রাসাগুলোর সেশনজট কমাতে দ্রুত পরীক্ষা গ্রহণ ও সনদ বিতরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা দপ্তর নিয়মিতভাবে কাজ করছে৷ তবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও পরীক্ষা রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা বারবার বাড়াতে হয় যার ফলে পরীক্ষা গ্রহণে কিছুটা বিলম্ব হয় এ ক্ষেত্রে আমরা অধ্যক্ষদের সহযোগিতা চাই৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ফাহাদ আহমদ মোমতাজীর সঞ্চালনায় এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এ এস এম মামুনুর রহমান খলিলী।
পরে উপস্থিত অধ্যক্ষদের হাতে ফাজিল ৩ বছর মেয়াদি-২০২০, কামিল ২ বছর মেয়াদি-২০২০, মাস্টার্স ১ বছর মেয়াদি-২০২৩ ও ০৪ বছর মেয়াদি-২০২৩ সালের অনার্সের মূল সনদ ও নম্বরপত্র তুলে দেওয়া হয়।













